আমরা অনেক সময় বয়সের ছাপ কমাতে দামি সিরাম ও ক্রিম ব্যবহার করি।
কিন্তু এমন একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-এজিং উপায় আছে, যা একদম বিনামূল্যে—ভালো ঘুম। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম শুধু শরীরকে নয়, ত্বককেও রাখে তরুণ ও উজ্জ্বল।
ঘুমের সময় ত্বকে কী ঘটে
গভীর ঘুমের সময় শরীর চলে যায় রিপেয়ার মোডে:
-
কোলাজেন তৈরি বাড়ে, যা ত্বক টানটান রাখে ও সূক্ষ্ম রেখা কমায়।
-
রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে সকালে ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।
-
সেল রিজেনারেশন বা নতুন কোষ তৈরি দ্রুত হয়, যা সূর্যের ক্ষতি ও দূষণের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।
ঘুমের অভাবে দেখা দিতে পারে:
-
ডার্ক সার্কেল ও চোখের ফোলা ভাব।
-
ত্বক নিস্তেজ ও ক্লান্ত দেখায়।
-
বলিরেখা ও ত্বক ঢিলে হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
ভালো ঘুমের টিপস
-
রুটিন মেনে চলুন: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমান ও জাগুন।
-
রিল্যাক্সিং পরিবেশ তৈরি করুন: হালকা আলো, ঠাণ্ডা ও শান্ত ঘর রাখুন।
-
সিল্কের পিলোকেস ব্যবহার করুন: ঘর্ষণ কমে, সূক্ষ্ম রেখা হওয়ার ঝুঁকি কমে।
-
ক্যাফেইন ও ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন—ঘুমানোর কমপক্ষে ৩–৪ ঘণ্টা আগে।
-
সহজ নাইট স্কিনকেয়ার রুটিন অনুসরণ করুন—ক্লিনজিং, ময়েশ্চারাইজিং ও নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন।
শেষ কথা
দামি স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট যতই ব্যবহার করুন না কেন, ৭–৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের মতো প্রাকৃতিক অ্যান্টি-এজিং কোনো কিছু নেই। ত্বক ঘুমের সময় নিজে থেকেই রিপেয়ার হয় ও ধীরে বয়সের ছাপ পড়ে। তাই আজ রাতেই মোবাইল স্ক্রল বন্ধ করুন, আর ত্বককে দিন সবচেয়ে কার্যকরী গিফট—বিউটি স্লিপ।


